মোহাম্মদ সোহেল, নোয়াখালী :
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের ভাই ও বসুরহাট পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র পদপ্রার্থী আবদুল কাদের মির্জা শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে লড়ে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেছেন আমার শেষ রক্তবিন্দু থাকা পর্যন্ত অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করব।

বিএনপি-জামায়াত প্রার্থীরা নির্বাচনের মাঝপথে বর্জন করে, এটি তাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতি। আমি এখানকার বিএনপির মেয়র প্রার্থী কামাল উদ্দিন চৌধুরী এবং জামায়াতের প্রার্থী মাওলানা মোশাররফকে বলব কোথাও অনিয়ম হলে তা যদি সত্য হয়, আমিসহ আপনাদের নিয়ে একযোগে নির্বাচন বর্জন করব।

ভোটকেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা কেউ যেন কোনো অনিয়ম না করে, টিপাটিপি করে কোনো মার্কায় অনৈতিকভাবে ভোট না দেয়, আমার অনুরোধ তারাও যেন নিরপেক্ষ নির্বাচন করায় সহযোগিতা করেন।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বসুরহাট পৌরসভায় এক কর্মীসমাবেশে আবদুল কাদের মির্জা এসব কথা বলেন।

তিনি বলেছেন, আগামী ১৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠেয় বসুরহাট পৌরসভা নির্বাচনে ভোটের দিন কোনো গন্ডগোল হলে এর প্রথম দায় নিতে হবে এ এলাকার সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী হিসেবে ওবায়দুল কাদেরকে। এরপর নির্বাচন কমিশনার শাহাদাত হোসেন ও পরে ডিসি-এসপি আর নির্বাচন অফিসারকে।

দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে আবদুল কাদের মির্জা বলেন, ভোটকে বিতর্কিত করার নানা ধরনের অপতৎপরতা চলছে। ইতোমধ্যে এলাকায় অস্ত্রশস্ত্র আনা হয়েছে। উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, এরশাদবিরোধী আন্দোলনের সময় ডা. মিলনকে হত্যা করে জাসদ আন্দোলনকে যেমনি চাঙ্গা করেছিল, তেমনি এখানেও আওয়ামী লীগ-বিএনপি অথবা জামায়াতের কাউকে হত্যা করে শান্ত পরিবেশ অশান্ত করে ভোটকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে ষড়যন্ত্রকারীরা। সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

দলীয় শৃঙ্খলার ফিরিয়ে আনতে নোয়াখালীতে অধ্যাপক বেলায়েত ও খায়রুল আনম সেলিম এবং ফেনীতে জয়নাল হাজারী ও ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে দলের দায়িত্ব দেয়া উচিৎ বলে দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আমার প্রস্তাব করেন আব্দুল কাদের মির্জা।

এসময় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সাহাব উদ্দিন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নুর নবী চৌধুরীসহ দলের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

  • সংবাদ সংলাপ/এমএস/রা

Sharing is caring!