নিজস্ব প্রতিবেদক :

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে চট্টগ্রাম টেস্টে দুটি উইকেট নিতে পারলেই বাংলাদেশের হয়ে সাদা পোশাকে ২৩ ম্যাচে দ্রুততম শত উইকেটের মালিক হতেন মেহেদী হাসান মিরাজ। সে ক্ষেত্রে অভিজাত ফরমেটে একশ উইকেট শিকার করে তিনি বসতেন পাকিস্তানের সাকলায়েন মুশতাক, অস্ট্রেলিয়ার শেন ওয়ার্ন ও গ্লেন ম্যাকগ্রাদের কাতারে। ২৪তম ম্যাচে মিরাজ সেটি করেছেন ঢাকা টেস্টে এসে। তাতেও লাল-সবুজের প্রতিনিধিদের হয়ে মিরাজই দ্রুততম শত উইকেট শিকার করলেন। এর আগে এই রেকর্ডটি ছিল তাইজুল ইসলামের। তিনি ২৫ ম্যাচে একশ উইকেট শিকার করেছিলেন।

মিরাজ টেস্টে তো এখন বাংলাদেশের দ্রুততম শত উইকেটের মালিকই, অধিকন্তু তিনি বসেছেন ভারতের রবিন্দ্র জাদেজা ও দক্ষিণ আফ্রিকার শন পোলকের পাশে। এই দুজনও ২৪তম ম্যাচে এসেই শত উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করেছিলেন। আজ দ্বিতীয় টেস্টের তৃতীয় দিন শেন মোসেলিকে ফিরিয়ে তাইজুল ইসলামকে সরিয়ে বাংলাদেশের দ্রুততম ১০০ উইকেট নেওয়ার রেকর্ড গড়েন মিরাজ।

এ নিয়ে মিরাজ হলেন চতুর্থ বাংলাদেশি ক্রিকেটার যিনি শত উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন। তার আগে টেস্টে নূন্যতম ১০০ উইকেট ছিল বাংলাদেশের তিন বোলারের। সবার আগে এই কীর্তি করেন মোহাম্মদ রফিক। এরপর সাকিব আল হাসান ও তাইজুল ইসলামও এই কীর্তি গড়েন। আরও একটি রেকর্ডে নাম উঠেছে মিরাজের। বাংলাদেশের কনিষ্ঠতম বোলার হিসেবে শততম টেস্ট উইকেট পেয়েছেন তিনি। ২৩ বছর ১০৯ দিনে পেলেন ১০০ উইকেট। ২৫ বছর ২৪২ দিনে সাকিব ও ২৭ বছর ২১০ দিনে এই মাইলফলক ছুঁয়েছিলেন তাইজুল। বিশে^র চতুর্থ কনিষ্ঠতম বোলার হিসেবে এই রেকর্ডে নাম লিখিয়েছেন মিরাজ। তার চেয়ে কম বয়সে এই কীর্তি গড়েছেন নিউজিল্যান্ডের ড্যানিয়েল ভেট্টরি, ভারতের হরভজন সিং ও পাকিস্তানের সাকলায়েন মুশতাক।

ঢাকা টেস্টের আগে মেহেদী হাসান মিরাজের উইকেট সংখ্যা ছিল ৯৮টি। সেখান থেকে ক্যারিবীয়দের প্রথম ইনিংসে ১ উইকেট নেওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুতেই সাফল্য পান ডানহাতি স্পিনার। মিরাজের ঘূর্ণি বুঝতে না পেরে দ্বিতীয় ¯িøপে থাকা মোহাম্মদ মিঠুনের তালুবন্দী হন মোসেলি। আর তাতেই তাইজুলের চেয়ে এক ম্যাচ কম খেলে উইকেটের ‘সেঞ্চুরি’ পূরণ করেন মিরাজ।
টেস্টে বাংলাদেশের দ্রুততম ১০০ উইকেট
১/ মেহেদী হাসান মিরাজ, ২৪ ম্যাচ
২/ তাইজুল ইসলাম, ২৫ ম্যাচ
৩/ সাকিব আল হাসান, ২৮ ম্যাচ
৪/ মোহাম্মদ রফিক, ৩৩ ম্যাচ

  • সংবাদ সংলাপ/এমএস/রা

Sharing is caring!