স্পোটর্স ডেস্ক :

করোনা ভাইরাসের মধ্যেই অনুষ্ঠিত হচ্ছে বাফুফের নির্বাচন। তাই বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) নির্বাচনকে ঘিরে শেষ সময়ে জমে উঠেছে নির্বাচনী আমেজ। কাল শনিবার (৩রা সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত হবে বহুল প্রত্যাশিত এই নির্বাচন। বাফুফের বর্তমান সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন আগেই ৩৬ দফার ঈশতেহার ঘোষণা করেছিলেন। এর আগে ২০ শে এপ্রিল নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও করোনা ভাইরাসের কারনে তা স্থগিত করা হয়। অবশেষে করোনা সমস্যা দূর হবার আগেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এবারের নির্বাচনে সহ সভাপতি পদে আটজন প্রার্থী রয়েছেন।

এরমধ্যে কাজী নাবিল আহমেদ এমপি, মহিউদ্দিন আহমেদ মহি, শেখ মোহাম্মদ মারুফ হাসান, আমিরুল ইসলাম বাবু এবং তাবিথ আউয়াল বাফুফের আগের কমিটিতে ছিলেন। নতুন মুখ এসএম আব্দুল্লাহ আল ফুয়াদ রেদোয়ান, ইমরুল হাসান ও আতাউর রহমান। তবে নানা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন দুই প্যানেলের নতুন তিন সহ সভাপতি। ব্যালটের ক্ষমতা থাকে জেলার দখলে। এবারের নির্বাচনেও পরবর্তী নের্তৃত্ব নির্ধারণের ক্ষমতা থাকছে জেলা ফুটবলের কাছে। এবারে ২১ পদের বিপরীতে ৪৭ জন প্রার্থী লড়াই করছেন। দুটি প্যনেল প্রকাশ্যে নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছে। একটি কাজী সালাউদ্দিন-মুর্শেদী সম্মিলিত ফুটবল পরিষদ, অন্যটি শেখ আসলাম-মহি সমন্বিত পরিষদ। এই ২১ পদ ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত করবেন ১৩৯ জন কাউন্সিলর।

তবে এবার নির্বাচনে প্রার্থী বিজয়ী করতে মুল চাবিকাঠিই থাকছে জেলা ও বিভাগীয় ফুটবল সংস্থার কাছে। তাই দীর্ঘ চার বছর ঘুরে নির্বাচন আসলে ঐক্যতা দেখা যায় জেলা ও বিভাগীয় ভোটারদের মাঝে। ১৩৯ টি ভোটের ৭২ ভোটই তাদের দখলে। মোট ভোটের সিংহ ভাগ ভোটার তাদের হাতে। সেখানে রাজধানীর ক্লাবগুলোর ভোট ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ভোট ছয়টি। শিক্ষাবোর্ডের ভোট রয়েছে ৫টি। বাকি একটি করে ভোট ফুটবল কোচেস অ্যাসোসিয়েশন, রেফারিজ অ্যাসোসিয়েশন এবং মহিলা ক্রীড়া সংস্থার। তাই বাফুফের চেয়ারে কে বসবেন আর কে বসবেন না তা নির্ধারণের সবচেয়ে বড় ভুমিকা রাখবে জেলা ও ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন।

  • সংবাদ সংলাপ/এসইউ/রা

Sharing is caring!