নোয়াখালী প্রতিনিধি :
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে কুমিল্লা জেলার মধ্যে রয়েছে শতাধিক হাইওয়ে হোটেল-রেষ্টুরেন্ট। ওই হোটেল-রেষ্টুরেন্টগুলোতে প্রতিদিন নোয়াখালী-ফেনী-লক্ষ্মীপুর ও চট্রগ্রামের হাজার হাজার যাত্রী ঢাকায় যাতায়াতকালে বিরতি নেন এবং খাবার গ্রহন করেন। বিরতিকালে খাবার গ্রহনে যাত্রীদের কাছ থেকে পণ্যের চড়া দাম হাকিয়ে নিচ্ছেন মালিকরা।

সোমবার রাতে এসব হোটেল-রেষ্টুরেন্টগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আরিফুল ইসলাম সরদারের নিকট আবেদন জানিয়েছেন নোয়াখালীর সাংবাদিক মোহাম্মদ সোহেল।

অভিযোগ রয়েছে, গলা কাটা দাম নেওয়ার পরও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি ও পরিবেশন হোটেল-রেষ্টুরেন্টগুলো। সূত্র জানায়, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা ১০৫ কিলোমিটার অংশে রয়েছে শতাধিক হোটেল-রেষ্টুরেন্ট। এগুলোতে বিশেষ করে বৃহত্তর নোয়াখালী ও চট্রগামের বাস ও অন্য পরিবহন যাত্রা বিরতি করে।

যাত্রা বিরতির অধিকাংশ হোটেল-রেষ্টুরেন্টে পাঁচ টাকার পরোটা ২০ আর ১০ টাকার চা ৩০ টাকা বিক্রি করা হয়। ১৫ টাকার আধা লিটার পানি বিক্রি করা হয় ২০ টাকায়। মাছ-মাংস তো আকাশচুম্বি দামে বিক্রি করা হয়। নিন্ম আয়ের মানুষের পক্ষে ওইসব হোটেল-রেষ্টুরেন্টে খাওয়া কষ্ট সাধ্য। প্রতিদিন অনেক মানুষ ওইসব হোটেল-রেষ্টুরেন্টে খেয়ে প্রতারিত হচ্ছেন।

নোয়াখালীর যাত্রী সাবেক ইউপি সদস্য আবদুল খালেক বলেন, যাত্রা বিরতির সময় অনেক হোটেল-রেষ্টুরেন্টে পাঁচ টাকার পরোটা ২০ টাকা, ১০ টাকার চা ৩০ টাকায় বিক্রি করে। সেভাবে তারা মূল্য তালিকাও করে রাখে। অনেকে মূল্য তালিকা না দেখেই খাবার খায়। পরে বাধ্য হয়ে বেশি দাম দিতে হয়।

কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো.আরিপুল ইসলাম সরদার বলেন, বিষয়টি তদারকি করে নোংরা পরিবেশ ও অতিরিক্ত মূল্য আদায়কারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। হাইওয়ে হোটেল-রেষ্টুরেন্টগুলো আমাদের নজরদারিতে রয়েছে।

  • সংবাদ সংলাপ/এমএস/রা

Sharing is caring!