আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

লেখিকা ও সাংবাদিক ই জ্যঁ ক্যারলকে ধর্ষণের অভিযোগে এ বছরই জবাবদিহির মুখে পড়তে হতে পারে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পকে।

ক্যারলের দাবি, নব্বইয়ের দশকের মাঝামাঝি সময়ে ম্যানহাটনের একটি দোকানে র্ধষণের শিকার হন তিনি। যদিও তার এ অভিযোগ প্রকাশ্যে আসে প্রায় ২৫ বছর পর, ২০১৯ সালের নভেম্বরে।

প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন এ মামলার অভিযোগ সাফ অস্বীকার করেন ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, ‘ক্যারলের মতো নারীদের প্রতি আগ্রহ নেই আমার।’

এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সে সময় ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করেন বর্তমানে ৭৭ বছর বয়সী ক্যারল।

ক্যারল জানান, একটি দোকানে হুট করেই ট্রাম্পের সামনে পড়েছিলেন তিনি। সেসময় টেলিভিশনে একটি টক-শো উপস্থাপনা করতেন তিনি। উপস্থাপিকা হিসেবে ট্রাম্প তাকে চিনে নেয়ায় দুজনে মিলে বেশ কিছুক্ষণ গল্পও করেন। এক পর্যায়ে ভুলভাল বুঝিয়ে তাকে ড্রেসিংরুমে নিয়ে সেখানেই তাকে ধর্ষণ করেন ট্রাম্প।

ক্যারলের দাবি, সেসময় যে পোশাকটি তার পরনে ছিল, সেটি সংরক্ষিত আছে তার কাছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, এ বছরই এ মামলায় শুনানির জন্য ট্রাম্পকে কাঠগড়ায় আনার পরিকল্পনা করছেন ক্যারলের আইনজীবীরা। তারা জানিয়েছেন, ট্রাম্পের ডিএনএ নমুনা চাইবেন তারা।

যৌন সহিংসতার অভিযোগ সংক্রান্ত দুটি মানহানির মামলা রয়েছে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে।

তিনি প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন তার আইনজীবীরা মামলাটি পেছাতে সক্ষম হলেও, এখন তার বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া দ্রুতই এগোবে বলে মনে করছেন ক্যারলের আইনজীবীরা।

  • সংবাদ সংলাপ/এসইউ/বি

Sharing is caring!