আন্তজার্তিক ডেস্ক :

তামাক নিবারণ আইন পাসের পর ধুমপানবিরোধী প্রচারণা জোরদার করেছে উত্তর কোরিয়া। নারী ধূমপানকারীর সংখ্যা শূন্য হলেও দেশটির মোট পুরুষের প্রায় অর্ধেকই ধূমপায়ী। তবে প্রকাশ্যে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন যেখানে অনবরত ধূমপান করেন সেখানে আদৌ এ আইন বাস্তবায়ন করা যাবে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে।

বিশ্বে ধূমপায়ীর দিক দিয়ে শীর্ষে অবস্থান করা দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম উত্তর কোরিয়া। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশের পুরুষদের মধ্যে ৪৩ দশমিক ৯ শতাংশই ধূমপায়ী। যেখানে নারী ধূমপায়ীর সংখ্যা শূন্য। জীবন বাঁচাতে ও আরো সভ্য স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিতের লক্ষ্যে চলতি মাসে জনসমাগম হয় এমন স্থানে ধূমপানের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি কোরে, তামাক নিবারণ আইন পাস করে উত্তর কোরিয়া।

নতুন আইন অনুযায়ী রাজনৈতিক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, থিয়েটার, সিনেমাহল, স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও গণপরিবহনে ধুমপান নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

ধূমপানবিরোধী কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক রি হুই বলেন, আমাদের ধূমপানবিরোধী কেন্দ্রটি মূলত গবেষণাধর্মী একটি প্রতিষ্ঠান। ধূমপানবিরোধী প্রচারণার পাশাপাশি আমরা কাউন্সেলিংয়ের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছি। দেশব্যাপী আমরা এই প্রচারণা চালাবো।

তবে শিশুদের কোনো অনুষ্ঠান কিংবা ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ সব জায়গাতেই সিগারেট হাতে দেখা মেলে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উনের। ২০১৯ সালে ভিয়েতনামে ট্রাম্পের সঙ্গে দ্বিতীয় বৈঠকেও ধূমপান করতে দেখা যায় তাকে। উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ এ নেতাকে দেখে অনেকেই ধূমপানে উদ্বুদ্ধ হয় বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা। তামাক নিবারণ আইন বাস্তবায়নে এ ক্ষেত্রে কিমকেও সচেতন হওয়ার তাগিদ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

  • সংবাদ সংলাপ/এসইউ/দু

Sharing is caring!