নিজস্ব প্রতিবেদক :

মোবাইল ফোনের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ফাইভ-জি চালুতে সরকার দেরি করতে চায় না বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

মোবাইল ফোন অপারেটর রবি আয়োজিত ‘নতুন আশার গল্প’ শিরোনামে এক অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) মন্ত্রী এসব কথা বলেন। ৫ কোটি গ্রাহকের মাইল ফলক ছুয়ে রবি এখন দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মোবাইল ফোন অপারেটর বলে এ সময় জানানো হয়।

মোস্তাফা জব্বার বলেন, আমরা সব কিছু দেরিতে শুরু করলেও ফাইভ-জিতে দেরি করবো না। এরই মধ্যে ফাইভ-জির পরীক্ষা সফল হয়েছে। আমাদের সক্ষমতাও রয়েছে। করোনার কারণে দিনক্ষণ নির্দিষ্ট করে বলতে না পারলেও এটা বলা যায় যে, শিগগিরই ফাইভ-জির জগতে প্রবেশ করবে বাংলাদেশ।

তিনি জানান, মোবাইল ফোন এখন মানুষের জীবনের অপরিহার্য অনুষঙ্গ। এখন যদি কোনো মানুষের কাছ থেকে মোবাইল ফোন নিয়ে নেয়া হয়, তবে তার অফিস, ব্যবসা, শিক্ষা, চিকিৎসা, যোগাযোগ ব্যবস্থা, লাইফস্টাইল ব্যাহত হবে। তাই এ খাতের সেবার মান বাড়ানো ও সর্বাধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলা এখন সময়ের দাবি। তিনি রবিকে সে বিষয়গুলোর প্রতি সচেতন থাকাতে হবে।

তিনি বলেন, রবি যে জায়গায় পৌঁছতে পেরেছে সেখান থেকে পেছনে যাওয়া যাবে না। আরো সামনের দিকে যেতে হবে। ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে রবিসহ অন্যান্য অংশিরা সঙ্গে থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

রবির প্রধান নির্বাহী ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহতাব উদ্দিন আহমেদ জানান, দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম অপারেটর হিসেবে রবি ৫ কোটি গ্রাহকের মাইলফলক অতিক্রম করেছে। এরই মধ্যে দেশের ৮০ শতাংশ এলাকা রবির ফোর-জি সেবার আওতায় এসেছে। নম্বর না বদলে অপারেটর পরিবর্তন সেবায় (এমএনপি) রবি শীর্ষে রয়েছে। ৫ কোটি গ্রাহকের মাইল ফলক ছোঁয়া উপলক্ষ্যে রবি দেশের বিভিন্ন এতিমখানায় শিশুদের মধ্যে খাদ্য বিতরণ করবে। এছাড়া গ্রাহকদের উপহার হিসেবে ৫ কোটি মেগাবাইট ইন্টারনেট দেয়াসহ বিভিন্ন কর্ম পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনটি সঞ্চালনা করেন রবির চিফ করপোরেট অ্যাফেয়ার্স ও রেগুলেটরি অফিসার সাহেদ আলম। টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির চেয়ারম্যান মো. জহুরুল হক সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন।

  • সংবাদ সংলাপ/এসইউ/রা

Sharing is caring!