নিজস্ব প্রতিবেদক :

বঙ্গবন্ধুর খুনি আবদুল মাজেদের মৃত্যু পরোয়ানা জারি করেছে আদালত। বুধবার দুপুরে কারাগার থেকে আদালতে নেয়া হয় আবদুল মাজেদকে। পরে দুপুর দেড়টার দিকে ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ আদালত এই মৃত্যু পরোয়ানা জারি করে।

এর আগে সোমবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে মিরপুর সাড়ে ১১ নম্বর এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় বঙ্গবন্ধুর অন্যতম খুনি মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ক্যাপ্টেন (অব.) আবদুল মাজেদকে। মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে সংবাদ মাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ক্যাপ্টেন মাজেদ দীর্ঘদিন পালিয়ে ছিলেন।

এর আগে ২০১০ সালের ২৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পাঁচ খুনির ফাঁসি কার্যকর করা হয়। তারা হলেন- লে. কর্নেল সৈয়দ ফারুক রহমান, লে. কর্নেল সুলতান শাহরিয়ার রশিদ খান, মেজর বজলুল হুদা, লে. কর্নেল মহিউদ্দিন আহম্মেদ (আর্টিলারি) ও লে. কর্নেল একেএম মহিউদ্দিন আহম্মেদ (ল্যান্সার)।

এছাড়াও ১২ জনের মধ্যে এখনো ৫ জন বিদেশে পালিয়ে রয়েছেন। পলাতকরা হলেন- কর্নেল খন্দকার আব্দুর রশিদ, লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিম, লে. কর্নেল এএম রাশেদ চৌধুরী, রিসালদার মোসলেম উদ্দিন, লে. কর্নেল এসএইচ নূর চৌধুরী।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট একদল সেনা সদস্য ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাড়িতে শিশুসন্তান রাসেল, স্ত্রী ফজিলাতুন্নেসা মুজিবসহ সপরিবারে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে। এ ঘটনার ২১ বছর পর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় গেলে ১৯৯৬ সালে এ বিষয়ে মামলা হয়। আসামি করা হয় ২৪ জনকে। বিচারিক আদালত এ মামলায় ১৫ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়। পরে আপিল বিভাগ ১২ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুর দুই মেয়ে শেখ হাসিনা (বর্তমান প্রধানমন্ত্রী) ও শেখ রেহানা সে সময় বিদেশে থাকায় প্রাণে বেঁচে যান।

  • সংবাদ সংলাপ/এমএস/রা

Sharing is caring!