মোহাম্মদ সোহেল, নোয়াখালী :
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাট পৌরভবন এলাকায় দুই পক্ষে গোলাগুলিতে গুলিবিদ্ধ হয়ে শ্রমিক লীগ নেতা মো. আলাউদ্দিন (৩২) নিহত হওয়ার ঘটনা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দিতে বলেছেন আদালত।

বুধবার (৩১ মার্চ) দুপুরে শুনানি শেষে নোয়াখালীর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ৪নং আমলী আদালতের বিচারক এসএম মোসলেহ উদ্দিন মিজান এ আদেশ দেয়।

এই ঘটনায় থানায় কোনো মামলা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিবেদন দাখিল করেছিল কোম্পানীগঞ্জ থানার পুলিশ। গত সোমবার কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মীর জাহেদুল হক রনি নোয়াখালীর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। সেই প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত আলাউদ্দিন হত্যা মামলার তদন্ত পিবিআইকে করার নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন আগামী ১ জুনের মধ্যে জমা দিতে বলা হয়েছে।

গত ৯ মার্চ বিকেলে বসুরহাট পৌরসভার রূপালী চত্বরে মেয়র কাদের মির্জা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান বাদলের অনুসারীদের সংষর্ঘ হয়।

এতে কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসিসহ আহত হন অন্তত ২৫ জন। ওই রাতে পৌরভবন এলাকায় দুই পক্ষে গোলাগুলি হয়। এতে গুলিবিদ্ধ হন ১৪ জন। মারা যান শ্রমিক লীগ নেতা মো. আলাউদ্দিন।

এ ঘটনায় আলাউদ্দিনের ছোট ভাই মো. এমদাদ হোসেন ওরফে রাজু বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জাসহ ১৬৪ জনের নাম উল্লেখ করে লিখিত অভিযোগ নিয়ে একাধিকবার থানায় গেলেও পুলিশ মামলা নেয়নি।

পরে ১৪ মার্চ এমদাদ হোসেন বাদী হয়ে নোয়াখালীর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ৪ নম্বর আমলি আদালতে একই আসামিদের বিরুদ্ধে একটি মামলার আবেদন করেন।

  • সংবাদ সংলাপ/এমএস/স

Sharing is caring!