নোয়াখালী প্রতিনিধি :

নোয়াখালী জেলা শহর মাইজদীতে বিদ্যুৎ বিভাগের চরম দায়িত্বহীনতা, অশোভন আচরণ, ভৌতিক বিল নিয়ে গ্রাহকরা অতিষ্ট হয়ে উঠেছেন।

শুক্রবার দিনব্যাপি ছিলো বিদ্যুৎতের অসহনীয় যন্ত্রনা। এরআগে বৃহস্পতিবার বিকেলে ১৫ মিনিটে ৭ থেকে ৮ বার বিদ্যুতের যাওয়া আসার ফলে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, অফিস, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ব্যবহারিক ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রপাতি বিকল হচ্ছে। অন্যদিকে মাস শেষে গ্রাহকদের গুনতে হচ্ছে ব্যবহৃত ইউনিটের বেশি টাকার বিল।

এমন অচলাবস্থার মধ্যেও বিদ্যুৎ বিভাগের অধস্তন থেকে উর্ধতন কর্মী ও কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে রয়েছে গ্রাহকদের সাথে অশোভন আচরণের অভিযোগ।

নোয়াখালী প্রেসক্লাবের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নিউজ টোয়েন্টিফোর ও বাংলাদেশ প্রতিদিনের প্রতিনিধি আকবার হোসেন সোহাগ অভিযোগ করে বলেন-বৃহস্পতিবার বিকেলে ১ ঘন্টা সময়ের মধ্যে অন্তত ১০ বারেরও বেশি বিদ্যুৎ যাচ্ছিলো আর আসছিলো ফলে আমার ব্যবহৃত কম্পিউটারের পিসি এখন আর কাজ করছে না। এ বিষয়ে আমি বিদ্যুৎ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী নুরুল আমিনকে ফোন করলে তিনি আমার সাথে ভালো ব্যবহার করনেনি। উল্টো তিনি আমাকে আইপিএস ও জেনারেটর ব্যবহারের পরামর্শ দেন।

এবিষয়ে নোয়াখালী প্রেসক্লাবের সদস্য সাংবাদিক ইমাম উদ্দিন আজাদ বলেন, একজন সরকারি কর্মকর্তা এভাবে আইপিএস ও জেনারেটর ব্যবহারের পরামর্শ দিতে পারেন না। এটা তার দায়িত্বহীনতা বলে মন্তব্য করেন এ গনমাধ্যম কর্মী।

জেলা জজ কোর্ট সড়কের ব্যবসায়ী রাজিব হোসেন বলেন, র্ক্টো পাড়ায় ব্যবসা করি। প্রায় সময় বিদ্যুৎ না থাকায় ফটোকপি করা যায় না। এছাড়া কফি মেশিন বিকল হয়ে পড়ে। ইতোমধ্যে বিদ্যুতের এমন আশা যাওয়ায় তিনটি হার্ডডিক্স বিকল হয়ে গেছে। এসময় তিনি বিকল হওয়া তিনটি হার্ডডিক্স দেখান। গ্রাহকদের অনেকেরই ভৌতিক বিল সহ এমন অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগের বিরুদ্ধে।

সংবাদ সংলাপ/এমএস/রা

Sharing is caring!