স্পোটর্স ডেস্ক :

বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপে অংশগ্রহণকারী সকল খেলোয়াড়দের জন্য বিপ টেস্ট বাধ্যতামূলক করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। দেশের প্রথম সারির ক্রিকেটারদের মাঝে বিপ টেস্টে সবচেয়ে কম পেয়েছিলেন নাসির হোসেন। ফিটনেস টেস্টে তার ব্যর্থতা নিয়ে বিভিন্ন মহলে বেশ সমালোচনা হয়। অবশেষে বিপ টেস্টে ফেল করার কারণ জানিয়েছেন নাসির নিজেই।

নাসির সবশেষ বিপ টেস্টে মাত্র ৮.৫ স্কোর করেন। এটা যেকোনো অ্যাথলেটের জন্যই বিব্রতকর। দেশের একসময়ের সেরা ফিল্ডারের তকমা পাওয়া এই ক্রিকেটারের ফিটনেসের এমন করুণ দশা হতাশ করেছে ভক্তদেরও। এমন হওয়ার কারণ না জেনেই নাসিরের সমালোচনায় মেতে উঠেছেন সবাই। তবে এই অলরাউন্ডার দাবি করেছেন, চোটের কারণেই বিপ টেস্টে ভালো করতে পারেননি তিনি।

এছাড়া বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপে খেলার ইচ্ছা থেকে নয়, মূলত চোট থেকে পুনর্বাসন প্রক্রিয়া কতদূর এগিয়েছে বা কতটুক ফিট হয়েছেন সেটা যাচাই করতেই নিজ ইচ্ছায় বিপ টেস্ট দিয়েছিলেন বলে দাবি করেছেন নাসির।

সম্প্রতি দারাজের এক অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাসির। সেখানেই তিনি বলেন, আমি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এত সক্রিয় নই। আমি জিম করি, ব্যাটিং করি ঠিকই কিন্তু এগুলো ফেসবুক-ইনস্টাগ্রামে দেই না। অনেকে দেয়, তবে আমি দেই না। রংপুরে আমি ভালোভাবেই প্র্যাকটিস করেছি। কিন্তু ঢাকায় এসে আবার প্র্যাকটিস করতে গিয়ে ইঞ্জুরিতে পড়ে যাই।

চোট পাওয়ার পর খেলা তো দূরের কথা, নাসিরকে বিপ টেস্ট দিতেও নিষেধ করেন ফিজিও-ট্রেনাররা। তবুও নিজের ইচ্ছায় বিপ টেস্ট দিতে যান তিনি। এ ক্রিকেটার বলেন, ইঞ্জুরির পর আমি ফিজিওকে দেখিয়েছি, ব্যক্তিগত ট্রেনারকে দেখিয়েছি। তারা সবাই আমাকে বিপ টেস্ট দিতে মানা করেছে। আমি টুর্নামেন্ট খেলার পরিস্থিতিতে ছিলাম না। নিজের ইচ্ছায় বিপ টেস্ট দিয়েছি। খেলার উদ্দেশ্যে এটা দেইনি। আমি আসলে কী অবস্থায় আছি, আরো কতটা ফিট হতে হবে সেটা দেখার জন্যই দিয়েছি।

নাসির যোগ করেন, আমার পুরো ক্যারিয়ারে কখনো এমন বিপ টেস্ট দেইনি। সবাই জানে আমি কেমন ফিট থাকি বা ছিলাম বা আছি। আমার এত কম হওয়ার কথা না। বিপ টেস্ট দেয়ার সময় হঠাৎ পায়ে ব্যথা শুরু হয় এবং আমি থেমে যাই। তখন মাথায় এসেছে, এই ২০ দিনের খেলার চেয়ে ৬ বছরের ক্যারিয়ার অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

  • সংবাদ সংলাপ/এসইউ/বি

Sharing is caring!