নোয়াখালী প্রতিনিধি :

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের একটি কওমি মাদ্রাসায় আট বছরের ছেলে শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে দুই কিশোরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

ভুক্তভোগী শিশুর অভিযোগ, তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে একাধিকবার। মাদ্রাসার হুজুরদের সে বিষয়টি জানালেও তারা কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। উল্টো হুমকি দেয়া হয়েছে তাকে।

পরে বাবা মাদ্রাসায় এলে সব খুলে বলে সে। বাবা করেন মামলা। আর ছেলেকে নিয়ে আসেন মাদ্রাসা থেকে।

বেগমগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান সিকদার বলেন, বেগমগঞ্জ উপজেলার এখলাশপুর ইউনিয়নের হাফেজ মহিউদ্দিন (রহ.) তাহফিজুল কোরআন হাফিজিয়া মাদ্রাসায় এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয়েছে মামলায়। সে ওই মাদ্রাসার মাজ্রা প্রথম জামাতের ছাত্র।

শিশুটির বাবার মৌখিক অভিযোগে রোববার রাত দুইটার দিকে বেগমগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোস্তাক আহমেদ অভিযুক্ত দুই কিশোরকে আটক করেন।

শিশুটির বাবা জানান, ওই মাদ্রাসায় আবাসিক ছাত্র হিসেবে পড়ালেখা করত তার ছেলে। শুক্রবার ছেলের সঙ্গে দেখা করতে মাদ্রাসায় যান তিনি। এ সময় শিশুটি বলে, সে আর ওখানে থাকবে না। তাকে যেন বাড়ি নিয়ে যাওয়া হয়।

কেন সেখানে থাকবে না, সেটা নিয়ে জানতে চাইলে এক পর্যায়ে শিশুটি সব খুলে বলে। সে জানায়, একাধিকবার তাকে নির্যাতন করা হয়েছে। এতে সে অসুস্থ হলেও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ তাকে কোন ধরনের চিকিৎসা দেয়নি।

মাদ্রাসা থেকে সোজা থানায় যান বাবা। পুলিশে দেন অভিযোগ। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাৎক্ষণিক অভিযান চালায়।

মামলায় দুই কিশোরকে গ্রেফতার দেখিয়ে সোমবার দুপুরে বিচারিক আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানান ওসি কামরুজ্জামান।

  • সংবাদ সংলাপ/এসইউ/রা

Sharing is caring!