নিজস্ব প্রতিবেদক :

করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে মহান বিজয় দিবসে স্বাস্থ্যবিধি মেনে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধের শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা যাবে। শ্রদ্ধা নিবেদনে যথাযথ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় ভার্চুয়াল সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।

সভা শেষে অনলাইন ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।

বিজয় দিবস যথাযোগ্য মর্যাদার সঙ্গে উদযাপনে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জাতীয় কর্মসূচি সুষ্ঠুভাবে পালনবিষয়ক সভাটির সভাপতিত্ব করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, জাতীয় স্মৃতিসৌধ এলাকায় পর্যাপ্তসংখ্যক ক্লোজড সার্কিট টেলিভিশন (সিসিটিভি) ক্যামেরার পাশাপাশি স্থাপনায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। ঢাকা থেকে সাভার যাওয়ার রাস্তাতেও পর্যাপ্ত নিরাপত্তা রাখার পাশাপাশি রাস্তাঘাট পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা হবে।

সভা শেষে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, বিজয় দিবসে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ইনডোর বা ঘরোয়া আয়োজন করা যাবে। সে ক্ষেত্রে অবশ্যই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করতে হবে।

বিজয় দিবসের কোনো অনুষ্ঠানে যাতে নাশকতা না হয়, সে জন্য সারা দেশে গোয়েন্দা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও সভায় সিদ্ধান্ত হয়।

বিজয় দিবস সুষ্ঠুভাবে উদযাপনের জন্য সারা দেশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হবে। যেকোনো ধরনের নাশকতার চেষ্টা করা হলে কঠোরভাবে দমন করা হবে। সারা দেশে গোয়েন্দা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

বিজয় দিবসে সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি ভবনে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী সঠিক মাপ ও রঙের জাতীয় পতাকা যথাযথভাবে উত্তোলনের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন স্থাপনায় আলোকসজ্জা করা যাবে বলেও সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে।

বিজয় দিবসে শহিদ মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মার শান্তি, দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি কামনায় সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে দোয়া ও প্রার্থনার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

দিবসের আয়োজন সফল করতে ইউটিলিটি সহযোগিতা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো ইউটিলিটি দেবে। বিজয় দিবসের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মেডিকেল টিম, ফায়ার সার্ভিস সেবা বলবৎ থাকবে।

  • সংবাদ সংলাপ/এমএস/দু

Sharing is caring!