সংলাপ ডেস্ক :

বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল)। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) দল পাওয়ার জন্য প্রায় অধিকাংশ ক্রিকেটারই অধীর আগ্রহে মুখিয়ে থাকে। ক্রিকেটারসহ সমর্থকদের জল্পনাকল্পনার অবসান ঘটিয়ে আগামী ২৬ মার্চ থেকে শুরু হবে আইপিএল। শুক্রবার আইপিএলের গভর্নিং কাউন্সিলের এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

সম্প্রতি ক্রিকবাজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, আইপিএলের অফিসিয়াল ব্রডকাস্ট মিডিয়া স্টার স্পোর্টস বিসিসিআইকে টুর্নামেন্টটি একটু তাড়াতাড়ি শুরু করার অনুরোধ জানিয়েছিল। এসব দিক বিবেচনা করেই আগামী ২৬ মার্চ থেকে আইপিএল মাঠে গড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিসিসিআই। মুম্বাইয়ের ওয়াংখোড় স্টেডিয়ামে চেন্নাই সুপার কিংস ও কলকাতা নাইট রাইডার্সের ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে আইপিএলের ১৫তম আসর। ২৬ মার্চ শুরু হওয়া টুর্নামেন্টটি শেষ হবে ২৯ মে। করোনা মহামারির জন্য আগের মতো সব ভেন্যুতে আইপিএলের ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে না। মুম্বাই ও পুনের চারটি ভেন্যুতে হবে লিগ পর্বের ৭০টি ম্যাচ।

মুম্বাইয়ের অনুষ্ঠিত হবে ২০টি ম্যাচ ও পুনেতে হবে ১৫টি। প্লে অফের ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে আহমেদাবাদে। চলতি মাসেই শেষ হয়েছে আইপিএলের মেগা নিলাম। এ নিলামে প্রতিটি ফ্র্যাঞ্চাইজিই তাদের দল সাজিয়ে নিয়েছে। আগের আসরের থেকে এবারের আসরটি একটু ব্যতিক্রম। কেননা এ আসরের ১০টি দল অংশগ্রহণ করেছে। আগের আটটি দলের সঙ্গে নতুন যুক্ত হওয়া দল দুইটি হলো গুজরাট টাইটান্স ও লখনৌ সুপার জায়ান্টস। আইপিএলে ১০ দল নিয়ে একমাত্র একটি আসরই হয়েছে। ২০১১ সালে অনুষ্ঠিত হওয়া সেই আসরের মতোই এবারের আইপিএল নিয়ে পরিকল্পনা করেছে বিসিসিআই।

আইপিএলের শিরোপাসংখ্যা ও ফাইনাল ম্যাচ খেলার সংখ্যার ভিত্তিতে দলগুলোকে ক্রমানুসারে সাজানো হয়েছে। এরপর দুটি গ্রুপে ভাগ করেছে। ‘এ’ গ্রুপে জায়গা পেয়েছে মুম্বাই ইন্ডিয়ানস, কলকাতা নাইট রাইডার্স, দিল্লি ক্যাপিটালস, লখনৌ সুপার জায়ান্ট। ‘বি’ গ্রুপের দলগুলো হলো চেন্নাই সুপার কিংস, সানরাইজার্স হায়দরাবাদ, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু, পাঞ্জাব কিংস ও গুজরাট টাইটান্স। নতুন ফরম্যাটে একই গ্রুপে থাকা দলগুলো একে অপরের সঙ্গে খেলবে দুটি করে ম্যাচ। অর্থাৎ, গ্রুপ ‘এ’-তে থাকা মুম্বাই গ্রুপের বাকি দল কলকাতা, রাজস্থান, দিল্লি ও লখনৌর সঙ্গে খেলবে দুটি করে ম্যাচ। অন্য গ্রুপে একই সারিতে থাকা দলের সঙ্গেও হবে দুটি ম্যাচ।

অর্থাৎ প্রতিটি দলের বরাবর অপর গ্রুপের একই সারির দলের সঙ্গে খেলবে দুটি ম্যাচ। যেমন, মুম্বাইয়ের সঙ্গে একই সারির দল হলো চেন্নাই, কলকাতার সঙ্গে এক সারির দল হলো হায়দারবাদ। দুটি দলই পরস্পরের বিপক্ষে দুটি করে ম্যাচ খেলবে। তবে ভিন্ন গ্রুপের বাকি দলগুলোর সঙ্গে হবে একটি করে ম্যাচ। অর্থাৎ, মুম্বাইয়ের সঙ্গে চেন্নাই দুটি ম্যাচ খেললেও কলকাতার সঙ্গে খেলবে একটি ম্যাচ। এ পদ্ধতিতে প্রতিটি দলই গ্রুপ পর্বে খেলবে ১৪টি করে ম্যাচ। গ্রুপ পর্বের পর আগের মতো প্লে-অফে অনুষ্ঠিত হবে চারটি ম্যাচ।

  • সংবাদ সংলাপ/এমএস/বি

Sharing is caring!