স্বাস্থ্য ডেস্ক:

কনডোম ব্যবহারে জড়তা কাটলেও, লজ্জা কেটেছে বলা যাবে না। বরং এখনও দোকানে গিয়ে ফিসফিস করতেও লজ্জা পান অনেকেই। কনডোম সম্পর্কে তথ্য লুকানোর প্রবণতা থেকেই জন্ম নেয় ভুল ধারণা। নারী ও পুরুষ দুইয়ের মধ্যেই এই নিয়ে ভুল ধারণা রয়েছে।

শুধু বাঙালি বা ভারতীয়দের মধ্যে নয়, গোটা বিশ্বেই যৌনতা নিয়ে সত্য, মিথ্যার ছড়াছড়ি রয়েছে। এমন সময়ে তাই আলোচনায় জরুরি কনডমের ব্যবহার ও প্রয়োজনীয়তা নিয়ে।

কনডোমের ব্যবহার
যৌনতার উত্তেজিত মুহূর্তে ব্যবহার করা হয়। সঠিক উপায় কনডোম ব্যবহার করলে পুরুষ কনডোমের সফলতার হার প্রায় ৯৮%। মহিলাদের জন্যও কনডোম রয়েছে। যা সেক্সের সময় ইন্টারকোর্সের আগে যোনির ভিতরে প্রবেশ করে পরতে হয়। কনডোম ব্যবহার করলে বীর্য ওর মধ্যে আটকে যায় এবং সরাসরি যোনির সংস্পর্শে আসে না। ফলে মহিলাদের গর্ভবতী হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।

কনডোমে কী থাকে?
কনডোম সাধারণত ল্যাটেক্স, পলিইউরেথিন বা নাইট্রাইল নামের পদার্থ দিয়ে তৈরি। পুরুষ কনডোমের বাইরের গায়ে লুব্রিকেন্ট লাগানো থাকে। প্রয়োজন হলে আলাদাভাবেও অতিরিক্ত লুব্রিকেন্ট ব্যবহার করা যায় কনডোমে। তবে মনে রাখা জরুরি, যে ল্যাটেক্স কনডোম ব্যবহারের সময় তেল বা তেল দিয়ে তৈরি লুব্রিকেন্ট ব্যবহার করা উচিৎ নয়, কারণ ল্যাটেক্স তেলে দ্রবিভূত হয়ে সেক্সের সময় কনডোম ছিঁড়ে যেতে পারে। তার বদলে জল দিয়ে তৈরি বিশেষ লুব্রিকেন্ট ব্যবহার করা উচিত।

একসঙ্গে দুটো কনডোম!
একসঙ্গে দুটি কনডোম নিয়ে অনেক দাবি থাকলেও, আদতে তা ব্যবহার করা উচিত নয়। এটা অনেকটা ‘আনারস খেলে সেক্স ভালো’ ধরনের গুজব। একটির বেশি কনডোম ব্যবহার করা ক্ষতিকারক। কারণ, এতে কনডোম ছিঁড়ে বা খুলে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

সবচেয়ে জরুরি…!!!
জানা প্রায় সবারই, তবে ভুল তবু হয়েই যায়! কিন্তু, মনে রাখবেন, যৌনরোগের থেকে বাঁচতে হলে, অবশ্যই কনডোম ব্যবহার করবেন। যৌনতার সময় একমাত্র কনডোম ব্যবহার করলেই যৌনরোগের হাত থেকেও বাঁচা যায়।

  • সংবাদ সংলাপ/এমএস/বি

Sharing is caring!