নোয়াখালী প্রতিনিধি:
নোয়াখালী পৌরসভার নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর থেকে নিজ দলের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ওপর পাল্টাপাল্টি হামলা এবং বাড়ি ঘরে ভাঙচুরের অভিযোগ করেছেন নির্বাচনে বিজয়ী ও পরাজিত কাউন্সিলর প্রার্থী।নির্বাচনের পর থেকে অব্যহত হামলার শিকার হচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেন পরাজিত প্রার্থী মো. জাকির হোসেন।
সবশেষ মঙ্গলবার বিকেল ৫টার দিকে পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ড সোনাপুর লিংক রোড এলাকায় তাকে লক্ষ্য করে একটি ককটেল নিক্ষেপ করা হয় বলেও অভিযোগ করেন জাকির হোসেন।
এসব ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় নোয়াখালী প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন ৮নম্বর ওয়ার্ডের টেবিল ল্যাম্প প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্ধদ্বীতা করা প্রার্থী মো. জাকির হোসেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করে বলেন, গত ১৬জানুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে তিনি টেবিল ল্যাম্প মার্কা নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন। ভোটে ডালিম প্রতিকের প্রার্থী নাসিম উদ্দিন সুনামের সাথে হেরে যান তিনি। ফলাফল ঘোষনার পর থেকে বিজয়ী প্রার্থী সুনামের লোকজন আমার লোকজনের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। হামলাকারিরা আমার নেতাকর্মীদের বাড়ি ছাড়া করার জন্য মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে। গত ১৭ জানুয়ারি সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে কাউন্সিলর সুনাম বাহিনীর ক্যাডার এলাকার চিহিৃত ইয়াবা ব্যবসায়ী হাফিজ উল্যাহ রবির নেতৃত্বে ৩০-৪০জন সন্ত্রাসী আমার সোনাপুর ইসলামিয়া মাদ্রাসা এলাকার আমার বাড়িতে হামলা চালিয়ে বসত ঘরের দরজা-জানালা ভাঙচুর, ককটেল বিষ্ফোরণ করে এবং পরে বাড়ির সামনে আমার ব্যানার পেস্টুন ছিঁড়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। সবশেষ মঙ্গলবার বিকেল ৫টার দিকে সোনাপুর লিংক রোডের সামনে আমার ওপর ককটেল হামলা চালায় তারা। পরে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসলে তারা পালিয়ে যায়। এসব ঘটনায় তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ দিবেন বলেও জানান।
অভিযোগের বিষয়টি অস্বীকার করে পাল্টা অভিযোগ করে বিজয়ী কাউন্সিলর নাসিম উদ্দিন সুনাম বলেন, নির্বাচনে হেরে যাওয়ায় ক্ষীপ্ত হয়ে জাকির ও তার লোকজন আমার নেতাকর্মীদের বাড়ি এবং দোকান-পাটে হামলা-ভাঙচুর চালাচ্ছে। এসব ঘটনায় তার চার সমর্থক আহত হয়েছে। জাকিরের বাড়ির সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় আমার নেতাকর্মীদের গালমন্দ করা হচ্ছে। এছাড়াও সে আমাকে প্রাণ নাশের হুমকি দিচ্ছে। ঘটনায় থানায় অভিযোগ দিলেও পুলিশ কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন এ কাউন্সিলর।
  • সংবাদ সংলাপ/এমএস/স 

Sharing is caring!