মো. সালেহ উদ্দিন সবুজ :
শীত আসে। সেই সঙ্গে হাজির হয় পিঠা উৎসব। এ সময় টাটকা চালে তৈরি করা হয় বাহারি পিঠা পুলি। পিঠার সেই মৌ মৌ গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে মূলত ঋতুর প্রথম ভাগ থেকে ।
গোলায় ধান তোলার পর গ্রামে ভাসে আনন্দের বন্যায় । ধান কাটা ও গোলায় ভরার এ উৎসব নতুন এক খবর দেয় জনপদে। সে বার্তায় থাকে পিঠার আমন্ত্রণ। শীতের সকালে খেজুর রসের স্বাদই আলাদা । সে রসে ভেজানো চিতই পিঠার ঘ্রান টানে পাড়ার মানুষকে ।

এমনই এক শীতকালীন পিঠা উৎসব হয়ে গেলো নোয়াখালী সদর উপজেলার ধর্মপুর ইউনিয়ন গার্লস স্কুলে। ১৬ জানুয়ারি সকালে পিঠা উৎসবে নানা পিঠার সমাহার নিয়ে হাজির হয়েছিল ধর্মপুর ইউনিয়ন গালর্স স্কুলের শিক্ষার্থীরা। পিছিয়ে ছিলেন না শিক্ষকরাও । শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি তারা বিভিন্ন ধরনের পিঠা নিয়ে উৎসবকে আরো প্রাণবন্ত করে তুলেছিলেন ।

পিঠা উৎসবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের কোষাধ্যক্ষ হাজী আবদুর রব, প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম, মেরিট প্লাস একাডেমির প্রধান শিক্ষক তালহা জুনায়েদ, ফরিদা একাডেমি এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ আবদুল হান্নান, ফরিদুন্নেছা সাঈদ মহিলা মাদরাসার সহকারি প্রধান শিক্ষক সাইফুল ইসলাম আলী, ইউসুফ আল মামুন, মডেল চাইল্ড কিন্ডার গার্টেন এর সহকারী শিক্ষক  আবুল কাশেম, ধর্মপুর ইউনিয়ন গার্লস স্কুলের সহকারী শিক্ষক সাহাব উদ্দিন সাকিব, সাজ্জাদুল ইসলাম রকিব, জুয়েল রানা, উম্মে সামিয়া, মেরিট প্লাস একাডেমির সহকারি শিক্ষক মেসবাহ উদ্দিনসহ  বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও অভিভাবকগণ ।

আয়োজক ধর্মপুর ইউনিয়ন গার্লস স্কুলের প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম বলেন, বাঙালি ঐতিহ্যগত কারণে এ ঋতুর সঙ্গে পিঠার অন্যরকম যোগসূত্র আছে। তাছাড়া পিঠা উৎসবের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা তৈরি হয়েছে। আমাদের শিক্ষার্থীদের মাঝে সৃষ্টিশীল মনোভাব তৈরি হয়েছে । সেই সাথে দেশীয় সংস্কৃতির সাথে আমাদের শিক্ষার্থীদের সেতুবন্ধন থাকবে। আগামীতেও আমাদের এ উৎসব অব্যাহত থাকবে ।

এসময় আগত অতিথিবৃন্দ শীতকালীন পিঠা উৎসবের প্রশংসা করে বলেন, এ ধরনের উৎসব গ্রামীণ জীবনের সংস্কৃতিকে জাগিয়ে রাখে এবং হারিয়ে যাওয়া পিঠাকে স্মরণ করিয়ে দেয় ।

  • সংবাদ সংলাপ/এসইউ/রা

Sharing is caring!