মোহাম্মদ সোহেল, নোয়াখালী :
নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার ভাসানচর থেকে পালিয়ে আসা ১৪ রোহিঙ্গাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় এলাকাবাসী।

বুধবার (৪ আগস্ট) বিকেল ৫টার দিকে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরএলাহী ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় থেকে তাদেরকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। এরআগে, বুধবার দুপুরে কোম্পানীগঞ্জের চরএলাহী ইউনিয়নের ৩নম্বর ওয়ার্ডের বামনী নদীর শাখার পাড় থেকে স্থানীয় এলাকাবাসী তাদের আটক করে।

আটককৃত রোহিঙ্গা হলো, ভাসানচর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের হারজিনা (২৪), মো.রফিক (২৯), সাবিকুন নাহার (৩৭), জান্নাত উল্যাহ (২), মো.রশিদ (১৭), খায়রুল আমিন (২৪), জাহেদা বেগম (২২), সাইদুল আমিন (৩০), সামছুন নাহার (১), নুর আলম (২০), জাহিদ হোসেন (১৮), রেয়াজুল ইসলাম (২৯), সাইদুর আলম (১৪) ও নুর ইসলাম (৬০)।

চরএলাহী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক জানান, দালাল চক্রের মাধ্যমে পুরুষ-নারী ও শিশুসহ ১৪জন রোহিঙ্গা নাগরিক গত তিন দিন আগে ভাসানচর থেকে চট্রগ্রাম যাওয়ার উদ্দেশ্যে পালিয়ে আসে। পরে দালাল চক্র তিন দিন তাদেরকে বিভিন্ন স্থানে ঘুরিয়ে মাছ ধরার বড় নৌকায় করে চরএলাহী ইউনিয়ন এলাকার বামনী নদীর শাখাতে ছেড়ে দিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। রোহিঙ্গাদের বামনী নদীর কুলে দেখতে পেয়ে স্থানীয় এলাকাবাসী তাদেরকে আটক করে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে নিয়ে আসে। ইউনিয়ন পরিষদ হতে বিকেল ৫টার দিকে তাদেরকে পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়। পুলিশ তাদের আটক করে থানায় নিয়ে যান।

নুর ইসলাম ও সাবিকুন নাহারসহ আটককৃত রোহিঙ্গারা জানান, দালাল ও নৌকার মাঝিরা ৬০ হাজার টাকা চুক্তিতে ভাসানচর থেকে তাদেরকে চট্রগ্রামে দিয়ে আসার চুক্তি করে। কিন্তু চট্রগাম না নিয়ে বুধবার দুপুরে এখানে নামিয়ে দিয়ে চলে যান তারা।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.সাইফুদ্দিন আনোয়ার জানান, এ ঘটনায় মামলা দায়েরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন আছে। আটককৃত রোহিঙ্গাদের ওই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হবে।

  • সংবাদ সংলাপ/এমএস/স

Sharing is caring!