ক্রীড়া প্রতিবেদক :

কাতার বিশ্বকাপ ও এশিয়ান কাপ বাছাই সামনে রেখে ৩৩ ফুটবলারকে ক্যাম্পে ডেকেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। দল ঘোষণার পর থেকেই শুরু হয়েছে তর্ক-বিতর্ক। ঘরোয়া ফুটবলের পারফরমেন্সই যেখানে নির্বাচনের মূল নির্ধারক সেখানে বাদ পড়েছেন লিগের পরীক্ষিত বেশ কয়েকজন তারকা।

বিশেষ করে দুজন খেলোয়াড়ের বাদ পড়া জন্ম দিয়েছে প্রশ্নের।

তাদের একজন বসুন্ধরা কিংসের ফরোয়ার্ড তৌহিদুল আলম সবুজ। যিনি নিয়মিত মুখ জাতীয় দলে। দুইয়ে ঢাকা আবাহনীর ফরোয়ার্ড মোহাম্মদ জুয়েল রানা। তিনিও একসময় নিয়মিত ছিলেন জাতীয় দলে। প্রিমিয়ার লিগের দ্বিতীয় পর্বে নিয়মিত গোল করার পরও নেই এই দুইজন।

লিগে শেষ তিন ম্যাচে দুটি করে গোল করেছেন সবুজ ও জুয়েল। সবমিলিয়ে লিগে স্থানীয়দের মধ্যে সর্বোচ্চদের তালিকায় ছয় গোল করে শীর্ষে আছেন সবুজ। চার গোল করে ছয়ে আছেন আবাহনীর জুয়েল। দলে সুযোগ না পাওয়া আরামবাগের নিহাদ জামান উচ্ছ্বাস পাঁচ গোল নিয়ে তালিকার তিনে আছেন।

জাতীয় দলের নিয়মিত একাদশের ফরোয়ার্ডদের হিসেবের খাতা খোলা হলে দেখা যায়, দ্বিতীয় পর্বে এখন পর্যন্ত তিন রাউন্ডে চট্টগ্রাম আবাহনীর রাকিব হোসেন, পুলিশের জুয়েল আর শেখ রাসেলের আব্দুল্লাহ ছাড়া জ্বলে উঠতে পারেননি কেউই।

সবুজ ও জুয়েলের দলে না থাকার ব্যাখ্যা দিয়েছেন জাতীয় দলের প্রধান কোচ জেমি ডে।

‘গোল করাই মানে নয় যে সে জাতীয় দলের জন্য নির্বাচিত হবে। আমি বিশ্বাস করি আমরা যে কৌশলে খেলি তা বিবেচনায় রেখে সেরা স্কোয়াড নির্বাচন করেছি।’

জেমির কাছে  জানতে চায় অন্যদের নেয়ার কারণ কি শুধু গতি আর অ্যাজিলিটি? উত্তরে কোচের জবাব, ‘ফ্যাক্টরের মধ্যে অন্যতম এগুলো। বিপিএল আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে আলাদা।’

গত কয়েকটি আন্তর্জাতিক ম্যাচের আগে বয়সে তরুণরাই সুযোগ পেয়েছেন জাতীয় দলে। জাতীয় দল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি কাজী নাবিল আহমেদ নেপাল ত্রিদেশীয় সিরিজের আগে বলেন, ‘ভবিষ্যতের কথা ভেবে তরুণদের সুযোগ দেয়া হচ্ছে বেশি।’

  • সংবাদ সংলাপ/এমএস/বি

Sharing is caring!